শরীরকে ফিট এবং রোগ মুক্ত রাখার সেরা 10 টি উপায়

শরীর ফিট সাধারণত একজন মানুষ বলতে আমরা যা বুঝি থাকে তা হল একজন ব্যক্তি যে শারীরিকভাবে ফিট থাকে এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকে তাকে ফিড বলা যেতে পারে।

তার কারণ হলো দুটো একটি দিক অর্থাৎ শারীরিকভাবে অথবা মানসিকভাবে যে ব্যক্তি অসুস্থ থাকে তাকে অবশ্যই শরীর ফিট বলা যাবে না সুতরাং একজন পারফেক্ট মানুষ ওই ব্যক্তি ‌

যে শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং মাননীয় মানসিকভাবে অসুস্থ দুধ দুটো দেখি সে সুস্থ তাকেই একমাত্র শরীর ফিট বলা যেতে পারে। সেজন্য আমাদের বিশেষ ভাবে আমাদের শরীরের দিকে নজর রাখতে হবে যাতে করে আমরা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে পারি এবং মানসিকভাবে ।

সে জন আমাদের উচিত স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খাওয়া ব্যায়াম করা এবং মনের দিকে বিশেষভাবে নজর দাও তাহলেই আমরা ফিট থাকতে পারব এবং সুস্থ থাকতে পারবো।

এখন আমি আপনাদের জানাবো যে নিজেদের ফিট থাকতে হলে কি কি কাজ করতে হবে এবং কোন খাবার খেতে হবে কি ব্যায়াম করতে হবে শরীর ফিট রাখার জন্য যেগুলো আমাদের করা একমাত্র জরুরি সকল বিষয়ে আজ আমরা আলোচনা করব তাই শরীর ফিট রাখার জন্য যে কাজ গুলো অবশ্যই করতে হবে।

শরীরকে ফিট এবং রোগ মুক্ত রাখার সেরা 10 টি উপায়

তাহলে আমরা সবাই যদি নিয়ম মেনে শরীর ফিট রাখার জন্য এই অভ্যাসগুলো কিছু অভ্যাস গুলো পরিবর্তন করি এবং কিছু অভ্যাস গুলো প্রতিদিন মেনে চলি তাহলে অবশ্যই আমাদের শরীর ফিট রাখতে পারব।

সে জন্য আমাদের করতে হবে কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্য সহকারে আমরা যদি নিয়ম কিছু চেঞ্জ করি এবং কিছু ভালো নিয়ম যদি নিয়মিত পালন করি তাহলে অবশ্যই আমরা আমাদের শরীর ফিট রাখতে পারব ।

এবং শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারবো চলুন আজকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফিট থাকা যায় যেভাবে তার সকল বিস্তারিত তথ্য জেনে নেই।

যাতে করে আমাদের অন্য আরও কোনো সমস্যার মাঝে পড়তে হবে না বরং সুস্থ এবং থাকতে পারবো শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে অসুস্থ এই দুটোই যদি সুস্থ থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা ফিট থাকতে পারবো চলুন জেনে নেওয়া যাক।

আমাদের শরীরকে ফিট রাখতে হলে যে কাজ গুলো করতে হবে এখন আমরা সব বিষয় নিম্নে উল্লেখ করা হলো চলুন জেনে নেই শরীর ফিট রাখার কৌশল গুলো কি ।

যে কৌশল আমরা অবলম্বন করা হলে আমাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকবে এবং মানসিকভাবে ফিট থাকবে এবং দুটি দিক যদি থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা সুস্থ থাকতে পারবো। শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফিট থাকার কৌশল গুলো চলুন জেনে নেওয়া যাক নিম্নের সকল কৌশল অবলম্বন করা হলো।

চলুন সুস্থ থাকার কৌশল গুলো জেনে নেই আর আমরা প্রতিদিন নিয়ম করে এই শরীর সুস্থ ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার নিয়ম গুলো রয়েছে তা আমরা পালন করি তাহলে অবশ্যই আমরা সুস্থ ভাবে থাকতে পারবো।

মস্তিকো সুস্থ রাখতে

আমাদের মস্তিষ্কে যদি সুস্থ না থাকে তাহলে আসলে বলুনতো সুস্থ থাকার মুল্য টা কোথায় আমাদের অবশ্যই সুস্থ থাকতে হলে আমাদের মস্তিষ্কের বিশেষভাবে নজর এবং খেয়াল রাখতে হবে আমাদের মস্তিষ্কে ভাবে সুস্থ এবং ভাল থাকে এ বিষয়ে আমাদের বিশেষভাবে সতর্ক হতে হবে।

আমাদের মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার জন্য আমাদের যে কাজগুলো করতে হবে এবং চলুন জেনে নেওয়া যাক মস্তিক সুস্থ রাখার জন্য আমাদের কি কি করতে হবে।

আমাদের মস্তিষ্ক রাখার জন্য যে পুষ্টিকর সম্পন্ন খাবার খেতে হবে সেদিকে আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে শুধু খাবারের দিকে খেয়াল রাখলে চলবে না বরং ব্যায়াম আরো অন্যান্য দিকের বিশেষভাবে আমাদের নজর দিতে হবে।

আমাদের মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে যে খাবারগুলো খেতে হবে চলুন জেনে নেওয়া যাক যে মস্তিক সুস্থ রাখার জন্য কি কি খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরী।

আমাদের মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখার জন্য আমাদের আখরোট খেতে হবে কারণ আখরোটে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমানের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা আমাদের মস্তিষ্ককে রোগ থেকে রক্ষা রক্ষা করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে।

তাই আমাদের সবার উচিত নিয়মিত আখরোট খাওয়ার অভ্যাস করা আখরোট খুবই ভাল একটি খাবার তাই অবশ্যই আমাদের খাদ্য তালিকা আখরোট রাখা খুবই জরুরি এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ জানা রাখলেই নয়।

টমেটো এটা দেখতে জেমন খুবই সুন্দর খুবই চমৎকার তেমনি খেতে খুবই সুস্বাদু এবং মজাদার টমেটো খেতে আমরা ছোট-বড় সবাই পছন্দ করি টমেটো খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার।

টমেটো এটা আমাদের দেশে জন্ম সুতরাং টমেটো সব বারোমাসি পাওয়া যায় নিয়মিত আমরা যদি টমেটো খাই তাহলে আমাদের মস্তিষ্ক কোষগুলো রক্ষা করতে সাহায্য করবে এবং আমাদের মস্তিস্কের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করবে।

আমাদের অবশ্যই উচিত নিয়মিত টমেটোর খাওয়া টমেটোর ভিতর পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ফলেট, কপার, থায়াসিন, নায়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি৬, ইত্যাদি।

যা আমাদের শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে এছাড়া আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল অথবা সবজি কারণ টমেটো আমরা সবজি হিসেবে ব্যবহার করতে পারি এবং ফল হিসেবে পেতে পারে।

যে রকমের খেতে ভালোবাসে টমেটো সালাদ এবং রান্না করে সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় সুতরাং টমেটো নিয়মিত খেলে আমাদের মস্তিষ্ক ভালো থাকবে সুতরাং অবশ্যই আমাদের উচিত নিয়মিত টমেটো খাওয়ার অভ্যাস কর।

এছাড়াও টমেটোর পাশাপাশি আর অন্য একটি উপাদান আছে যা আমরা সবাই চিনি এবং খুবই সুস্বাদু এবং ছোট বড় সবাই খেতে ভালোবাসি গ্রিন টি।

গিরিন টি তে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে- থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলোকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং এর পাশাপাশি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতেওভীষণ ভাবে সহায়তা করে।

আমাদের সবার উচিত নিয়মিত কম হলেও 4 থেকে 5 কাপের মতো গ্রিন টি পান করা দিনটি আমাদের শরীরের এন্ট্রি অক্সাইড এর চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। এবং বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে এবং আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী অবশ্যই নিয়মিত গ্রীন টি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

আরেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক এবং খুবই সুস্বাদু এবং মজাদার একটি খাবার হল সামুদ্রিক মাছ সামুদ্রিক মাছ খেতে আমরা অনেক লোকই ভালোবাসি সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ।

নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খেলে যে ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে আমাদের মস্তিষ্ক তা হল আলজইমার রোগের হাত থেকে আমাদের মস্তিষ্কে দূরে রাখে। সুতরাং আমাদের উচিত নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খাওয়া অবশ্যই আমাদের খাদ্য তালিকায় নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ রাখলে আমাদের মধ্যে অনেক উন্নতি ঘটবে।

আমাদের হৃৎপিণ্ড এবং হার্ট সুস্থ রাখতে করণীয়

এছাড়াও আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে অর্থাৎ হাসপাতাল টির নাম হল মাউন্ট সিনাই হাসপাতাল হৃদরোগ চিকিৎসক বিশেষেজ্ঞ ডা. যিনি হলেন তার নাম বেথ অলিভার তিনি নিজেই বলেছেন যে।

যে ব্যক্তি নিয়মিত‘‘, পরতেক বেলায় বিভিন্ন রংয়ের ফল এবং সবজি হাই এবং সবুজ শাকসবজি ফলের ভেতরে পাওয়া যায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

আঁশযুক্ত খাবার এর পরিমাণ বেশি খেতে বলেছে আর শক্ত খাবার যেমন আপেল আখরোট পানি সূর্যমুখী তেল ডাল ডিমের হলুদ অংশ এসব আমাদের হৃদপিণ্ড জন্য খুবই উপকারী সুতরাং এ ধরনের খাবার প্রতিবেলায় খাদ্যতালিকায় আমাদের রাখা উচিত তাহলে অবশ্যই আমাদের হৃদপিণ্ড সুস্থ এবং সবল রাখা সম্ভব।

আমাদের কিডনিকে সুস্থ রাখতে

আমাদের কিডনিকে সুস্থ রাখো রাখতে হলে আমাদের নিয়মিত যে কাজগুলো করতে হবে এবং যে কাজ তারা আমরা আমাদের কিডনিকে সুস্থ এবং সবল রাখতে পারব যাতে করে কোনো রোগ আমাদের কিডনিতে হওয়ার চান্স থাকবে না।

আমরা যদি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, এবং হাঁটাচলা এছাড়াও আমরা যদি এর পাশাপাশি, ব্যায়াম তাহলে বিভিন্ন ধরনের উপকার পেতে পারি যে মন। আমাদের উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে সুতরাং সুতরাং আমরা জানি যে ডায়াবেটিস থেকে কিডনি রোগের সম্ভাবনা হওয়া অনেক বেড়ে যায়।

সুতরাং এই কিডনি রোগের সমস্যা দূর করার জন্য আমাদের যে খাবারগুলো খেতে হবে,যেমন নিয়মিত আমাদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই যে খাবারগুলো খেতে হবে এবং না খেলেই নয় বরং অবশ্যই নিয়মিত খাবার তালিকায় খাবারগুলো রাখার চেষ্টা করতে হবে।

যেমন আমাদের দেশীয় ফলমূল, এবং সবুজ শাকসবজি, এবং ফাইবার ইত্যাদি এ ধরনের খাবার অবশ্যই আমাদের নিয়মিত খাই খেতে হবে এ ধরনের খাবার আমাদের ওজন সঠিক মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে।

লবণ যেটা আমাদের খাবারের স্বাদ বাড়ায় কিন্তু খাবারের স্বাদ দাড়ানো আমরা অনেকেই লবণ খেতে ভালোবাসি কিন্তু আসলে লবণ খাওয়া ক্ষতি তাই যতটা সম্ভব আমাদের লবণ কম খেতে হবে লবণ এড়িয়ে চলতে হবে।

অতিরিক্ত লবণ খেলে আমাদের কিডনির সমস্যা হতে পারে এবং আমাদের কিডনির ক্ষতি করে সুতরাং লবণ অবশ্যই আমাদের পরিবর্তন করতে হবে।

অবশ্যই আমাদের এদিকে সুস্থ এবং সবল রোগমুক্ত রাখতে হলে প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার এর মত পানি খাওয়া প্রয়োজন তাই আমাদের কিডনিকে পরিষ্কার রাখতে হলে আমাদের সবার উচিত নিয়মিত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা।

অবশ্যই যেকোনো খাবার খাওয়ার আগে 1থেকে 2 গ্লাস পানি পান করে এরপর আমাদের খাবার খাওয়া উচিত এবং খাবার পরে সাথে সাথে পানি খাওয়া যাবে না অন্তত খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা পর আমাদের পানি পান করতে হবে।

আমাদের হাড়ের যত্ন

অবশ্যই এর যত্ন বিশেষভাবে নিতে হবে আমাদের হাড় শক্ত করার জন্য আমাদের যে কাজগুলো করতে হবে তা হলো আমাদের হাড় শক্ত করার বিশেষভাবে খুবই জরুরী এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হাড় শক্ত করার জন্য নিয়মিত আমাদের শরীরচর্চা এবং ব্যায়াম করতে হবে ব্যায়াম আমাদের হাড় শক্ত করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে।

হান্ডলুম অথবা হাড় ভেঙে যাওয়া জন্য শুধু বয়স বাড়াই একমাত্র কারণ নয় বলে আমরা মনে করে থাকে থাকি। বিভিন্ন কারণে হতে পারে আমাদের, পেটের ক্রনিক সমস্যা অথবা আমাদেরপাকস্থলির অসুখের কারণেও কারণে আমাদের হাড় নরম অথবা ক্ষয় হতে পারে।

আর আমরা যদি পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার না খায় তাহলে আমাদের এ ধরনের সমস্যা আরো বেশি হবে আমাদের পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খেতে হব আরো বিভিন্ন কারণে হতে পারে যেমন অতিরিক্ত মাত্রায় ধূমপান পান করলে এবং নানা ধরনের ওষুধ সেবন করলে এর একমাত্র কারণ হারকে নরম করা সুতরাং এ ধরনের অভ্যাস থাকলে অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।

পাকস্থলী

আমরা জানি যে আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ হচ্ছে অন্ত্র অথবা পেটে যা লম্বায় প্রায় 8 মিটার এর মত হয়ে থাকে আমাদের শরীরের গ্রহণ করা খাবারগুলো সহজপাচ্য বস্তুতে পরিণত করতে সাহায্য করে অন্ত্র।

শরীরের সেখানে যদি কোন প্রকার সমস্যা দেখা দেয় তখন সবকিছু আমাদের কাছে এলোমেলো হয়ে আমাদের মাঝে প্রায়ই মনে হয় থাকে।

তাই আমাদের শরীর ঠিক রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের পেটের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে আমাদের পেট ও ভালো রাখতে হবে তাই আমাদের নিয়মিত হাঁটাচলা করতে হবে এবং শস্যদানা ডিসি সাদা দই সবুজ শাকসবজি দেশীয় ফলমূল সুষম খাবার আমাদের নিয়মিত খেতে হবে এ ধরনের খাবার আমাদের পেট ভালো রাখবে এবং আমাদের শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করবে।

তারুণ্যকে ধরে রাখতে করণীয়

আমাদের তারুণ্যকে ধরে রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভীষণ ভাবে সাহায্য করে এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার আমাদের শরীরে এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতি। এবং আমাদের অতিরিক্ত টেনশন এবং দুশ্চিন্তা করা একদম যাবেনা টেনশন এবং দুশ্চিন্তা আমাদের শরীর এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতি।

ধূমপান নেশা জাতীয় দ্রব্য এগুলো সেবন করা থেকে দূরে থাকতে হবে ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে এগুলো আমাদের ত্বকের ক্ষতি করে এবং আমাদের শরীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এছাড়াও আমাদের ত্বকের যেসব ক্ষতি করে যে জিনিসগুলো তা হল সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের ত্বকে ক্ষতি করে।

Read more… সবুজ আপেলের রয়েছে বিশেষ ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

তাই আমাদের অবশ্যই উচিত আমাদের ত্বকের যত্ন নেওয়া এবং ত্বককে ভালো রাখা সেজন্য আমাদের অবশ্যই রোড থেকে দূরে সরে থাকতে হবে আমাদের ত্বকের লাবণ্য হারিয়ে ফেলে এবং ত্বকের কালচে ভাব সৃষ্টি করে দেয়।

পায়ের যত্ন

আপনি কি জানেন যে আপনার শরীরের সমস্ত ভার বহন করে আপনার এই দুটো পায়ের উপর তাই অবশ্যই আপনাকে আপনার পায়ের স্বাস্থ্যের দিক বিশেষভাবে যত্ন নিতে হবে এবং পায়ের আপনারা সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি।

তাই আপনার পায়ের মাংসপেশি শক্ত করতে এবং আপনার শরীর ফিট রাখতে অবশ্যই আপনার প্রতি দিনহাটা জরুরি হাঁটার জন্য পায়ের যত্নের কোন বিকল্প নেই বললেই চলে হাঁটা খুবই ভালো হাঁটাহাঁটি করা হলে আমাদের পায়ের ব্যায়াম হয়।

হাঁটার মাধ্যমে মানুষ অতি সহজেই থাকতে পারে এবং হাতা মানুষকে রাখতে সাহায্য করে তাই নিয়মিত তিরিশ মিনিট এর মাথাটা খুবই জরুরী এবং খুবই উপকারী।

ব্যায়ামের গুরুত্ব

আমরা জানি যে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদের ব্যায়াম করতে হবে কারণ ব্যায়াম ছাড়া কোনভাবেই শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব নয়।

আমাদের অবশ্যই শারীরিকভাবে ফিট এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে একমাত্র ব্যায়াম আমাদের শারীরিকভাবে সুস্থ রাখবে এবং মনের দিক থেকেও ভালো লাগবে সুতরাং নিয়মিত আমাদের অবশ্যই উচিত ব্যায়াম করা।

শরীর ফিট রাখতে করণীয়

আমাদের শরীরকে ফিট এবং সুস্থ রাখতে হলে আমাদের অবশ্যই কিছু অভ্যাস কে পরিবর্তন করতে হবে এবং কিছু অভ্যাস আমাদের তৈরি করতে হবে। শরীরকে ফিট এবং সুস্থ রাখতে হলে আমরা আমাদের উচিত রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খাওয়া। এবং খাবার খাওয়ার পর 1 থেকে 2 ঘন্টা পরে ঘুমানোর চেষ্টা করা।

স্বাস্থ্য এবং আমাদের ফিগারের জন্য নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত ঘুম খুবই জরুরী আমাদের উচিত কমপক্ষে 8 ঘন্টা ঘুমানো তাই রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর উচিত এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করা উচিত।

Read more… যোগব্যায়ামে কি কি রোগের উপকারিতা রয়েছে

এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে বাহিরের মুক্ত বাতাসে হাঁটাচলা করা উচিত এবং দিনে ছবার অভ্যাস আমাদের অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।

অবশ্যই আমাদের আরেকটি উচিত আমরা যখন অফিসে যাব তখন রিক্সা অথবা গাড়িতে না যে পায়ে হেঁটে যাওয়ার অভ্যাস করা এবং লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করা ধূমপান তামাক সেবন বন্ধ করতে হবে এবং।

যত প্রকারের খারাপ দিক আছে তা আমাদের পরিবর্তন করতে হবে এবং আমাদের ভালো ইতিবাচক দিকগুলো ফলো করতে হবে তাহলে অবশ্যই আমরা শারীরিকভাবে ফিট থাকতে পারবে এবং মানসিকভাবে অসুস্থ থাকতে পারবো।

Leave a Comment