যোগব্যায়ামে কি কি রোগের উপকারিতা রয়েছে

আমাদের শরীরকে রোগমুক্ত রাখার জন্য নিয়মিত যোগ করা খুবই প্রয়োজন এছাড়াও শরীর এবং মনের জন্য যোগ এর গুরুত্ব অপরিসীম।

নিয়মিত করা আমাদের মানসিক জড়তা এবং অবসন্ন ভাব কাটাতে ভীষণ ভাবে সহায়তা করে প্রতিদিন যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের ষ রাগ, চঞ্চলতার করতে পারি এ ছাড়াও আমাদের মনের বেশকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখালের সাহায্য করে।

আমরা অনেকেই জানি যারা আমরা বিভিন্ন উপকার পেতে পারি এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি। সুতরাং অনেকেই জানেন না যে কোন যোগ কোন রোগের উপকার করে হ্যাঁ এটা না জানায় স্বাভাবিক কারন সবার ব্যায়ামের বিষয়ে ধারনা নেই।

যোগব্যায়ামে কি কি রোগের উপকারিতা রয়েছে

আজকাল অনেক নারী এবং পুরুষ সবাই যোগ বিষয়ে বেশ আগ্রহ হচ্ছে এবং দিনদিন যোগ বিষয় বিভিন্ন ইচ্ছা শক্তি দিন দিন বেড়েই চলছে

যোগ শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে তাই নিয়মিত শারীরিক ভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত যোগ চর্চা করা উচিত।

জোকস শুধু শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ রাখে না বরং যোগ বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করতে সাহায্য করে ,সুতরাং নিয়মিত যে ব্যক্তি নযোগের অভ্যাস করে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে অনেক বেশি।

সুতরাং অবশ্যই উচিত নিয়মিত যোগ এর অভ্যাস করা নিয়মিত যোগ এর অভ্যাস করা হলে সহজেই দেহে কোন রোগে আক্রান্ত করতে পারে না এবং সুস্থভাবে বাঁচা যায়।

নিয়মিত যুগ মানুষের মনকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে নিয়মিত যোগ এর বিকল্প নেই সুতরাং যে ব্যক্তি নিয়মিত যোগ করে তার মন শরীর সুস্থ এবং ভালো থাকবে সুতরাং নিয়মিত যোগ অভ্যাস করা উচিত।

আজকাল অনেক ব্যক্তিরা যোগ না করে বিভিন্ন জিমে চলে যায় কিন্তু তারা জিমেইল মেশিন এবং ব্যায়ামের যন্ত্র দেখি বেশি আগ্রহ হয়ে যায় এই ব্যায়াম করলে আসলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। যোগ এর উপকারিতা যদি রোগের উপকারিতা অপরিসীম যুগের কোন ক্ষতি নেই বরং উপকার পাওয়া যায় যে কোনো যেকোনো সময় যেকোনো অবস্থায় এবং যেকোনো জায়গায় বসে যোগ করা যায়।

যোগের জন্য আলাদা কোনো স্থান বা কোন যন্ত্র প্রয়োজন পড়ে না আপনি চাইলে বাসায় বসে যোগ করতে পারবেন তাই যোগ এর জন্য আপনার কোন অর্থের প্রয়োজন পড়বে না।

কিন্তু চীনে যে ব্যক্তির আইজিএম করে তবে তাদের অবশ্যই সময় প্রয়োজন পড়ে এবং অর্থের প্রয়োজন পড়ে যাদের অর্থ খুবই কম এবং সময় খুবই কম সেই ব্যক্তিরা অবশ্যই বাসায় এসো বাসায় বসে যোগ করতে পারেন।

যোগ আপনার সময় বাঁচিয়ে দেবে এবং অর্থের ও উপকার করবে এবং আপনার শরীর এবং মন মানসিকতা দিকে বিশেষ ভাবে উপকার করবে।

যে ব্যক্তির নিয়মিত যোগ এর অভ্যাস করে তারা শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে সুতরাং অবশ্যই সবারই উচিত নিয়মিত যোগের অনুশীলন করা।

যোগ হলো প্রাকৃতিক ওষুধ যেমন কোন ব্যক্তি অর্থাৎ নারী এবং পুরুষ অসুখ হয় তখন তারা অসুখ সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করে থাকে যাতে সুস্থ থাকতে পারে এবং সুস্থভাবে বাঁচতে পারে সেজন্য তারা রোগ সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করে থাকে সুতরাং।

যোগ এটাও এক ধরনের ওষুধ রোগ হলে যেরকম সারানোর জন্য ওষুধ সেবন করে থাকে কেমনে জোর রোগ সারানোর জন্য ওষুধের মতোই লোকের শরীরে কাজ করে। তাই বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করে অবশ্যই নিয়মিত যোগ অভ্যাস করুন নিয়মিত যোগ করা হলে অবশ্যই আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে।

সহজেই নারী এবং পুরুষের দেহে কোন রোগে আক্রান্ত করতে পারবে না এবং বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করবে একমাত্র যোগ। যুগের উপকারিতা অপরিসীম যোগ এর উপকারিতার সম্পর্কে যাদের ধারনা আছে তারাই একমাত্র বুঝে যে চোখ কি একটি উপায়।

যা দ্বারা অতি সহজেই বিভিন্ন রোগ সারানো যায় এবং বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করে সুতরাং নিয়মিত যোগ করা হলে রোগ এর তো দূরের কথা লোক হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। কোন ধরনের যোগ কোন রোগের ওষুধ কোন রোগের উপকার করে এটা আমরা অনেকেই জানিনা। যুক্ত এক প্রকার ওষুধ।

যে যোগ করা হলে যে রোগের উপকার পাওয়া যায় এখন আমি আপনাদের জানিয়ে দেবো যে কোন যুগ দ্বারা কোন রোগের উপকার রয়েছে।

সুতরাং আমাদের যদি জানা থাকে যে এই চোখ দ্বারা আমরা এ ধরনের রোগের উপকার পেতে পারি তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভাল হয়।

তাহলে সহজেই আমরা অভিযোগ করে নিলে আমাদের এ ধরনের রোগের সমস্যা সহজেই দূর হয়ে যাবে বরং অন্য কোন চিন্তা করতে হবে না এবং ওষুধ সেবন করতে হবেনা তাই আমাদের সবার উচিত।

যে কোন যোগ কোন রোগের উপকার পাওয়া যায় তা সমস্ত বিস্তারিত তথ্য জানাও কোন ধরনের ওষুধ ছাড়াই এখন আমরা জেনে নেবো চলুন জেনে নেই যে যোগ যে ধরনের সমস্যার সমাধান হতে পারে ।

যেমন আজকে আমরা জানবো যে যোগ এর বিস্তারিত সম্পর্কে যোদ্ধারা যে রোগের উপকার পাওয়া যায় কোন যোগ করা হলে আমাদের শরীরের রোগব্যাধি কম হয়।

এবং রোগব্যাধি সেও যায় কোন কোন রোগের ওষুধ ওষুধ এ কারণে বলা যেতে পারে কারণ যদি যোগ মানুষের ওষুধ ছাড়াই এবং রোগের উপকার করে তাহলে এটাকে যোগ অর্থাৎ ওষুধ বলা যায়।

কারন রোগ হলে আমরা ওষুধ খাই কিন্তু ওষুধ ছাড়াও যে আমরা যোগের মাধ্যমে উপকার পেতে পারি সেটা অনেকেরই ধারণা নেই সুতরাং আজ আমি আপনাদের জানাবো যে একমাত্র যোগ দাঁড়া সকল রোগের সমাধান পাওয়া যায় তাই চিন্তা না করে সকল ব্যক্তি উচিত যোগ সম্পর্কে সকল তথ্য যেন এরপরে যোগ করা।

যোগের এর সমস্ত বিস্তারিত তথ্য জানা থাকলে আপনার যোগ করতে অনেক সুবিধা হবে এছাড়াও সহজেই আপনার দেহের কোন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না এবং সুস্থ-সবল ভাবে বাঁচার আনন্দ খুঁজে পাবেন যোগ তাই অবশ্যই এ ধরনের সুযোগ হাতছাড়া না করে আজ এই যুগের সমস্ত তথ্য জেনে নিয়ে নিয়মিত যোগ করার চেষ্টা করুন।

যে যোগ্ তার আপনি সুস্থভাবে বাঁচতে পারবে এরকম সুযোগ হাতছাড়া করে বলুন আর আর্থিক ভাবে বাঁচতে পারবেন তাদের আর্থিক সমস্যা আছে তারাও জিমেনা যে বাসায় বসেই যোগ করে সুস্থভাবে বাঁচতে পারবে।

এবং সময় বেচে যাবে যারা বিভিন্ন কাজে কর্মে ব্যবসায় এবং নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকে তাদের জিমে যাওয়ার সময় হয় না তাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে ঘরে বসে যোগ করা। ঘরে বসে যোগ করা হলে অবশ্যই ওই ব্যক্তি ও সুস্থভাবে বাঁচতে পারবে আর দেরি কেন আজই উদ্দেশ্যে লেগে পড়ি আমাদের সুস্থভাবে বাঁচাতে পারে তাকে কেন হেলাফেলা করব ।

এবং তাকে কেন তোর বউ বরকে আপন করে নিয়ে এবং ভালবেসে নিয়মিত যোগ অভ্যাস করি তাহলে অবশ্যই আমরা সুস্থভাবে বাঁচতে পারব এবং বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

সুতরাং নিয়মিত যোগ করা হলে দেহের বিভিন্ন রোগ ধ্বংস হয়ে যাবে এবং সহজেই কোন জীবাণু দেহে ভিতরে প্রবেশ করবে না বরং জীবাণুকে ধ্বংস করবে ।

আর দেরি না করে এই যোগ আমরা শুধু করি আজ থেকেই অবশ্যই যোগ বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং উদ্দেশ্যে মন এবং প্রাণ দিয়ে ভালবেসে এরপর যোগ করা তাহলে অবশ্যই আপনি সুস্থভাবে বাঁচতে পারবেন।

নিয়মিত যোগব্যায়াম এর উপকারিতা

নিয়মিত যোগ্ এর অনেক উপকারিতা রয়েছে দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে নিয়মিত যোগ এছাড়াও আরও বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে যোগ যেমন ।

মানুষের চিন্তা হাড়ে ব্যথা মাথা ব্যথা ঘারে ব্যথা বিভিন্ন ধরনের শরীরে ব্যথা কিংবা ডায়াবেটিস কন্ট্রোল রাখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এ ধরনের সমস্যা দূর করতে যোগাযোগ খুবই উপকারী

যোগ মনের শান্তি ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে মন ভালো রাখে এবং মানসিক চিন্তা দূর করতেও সাহায্য করে যোগ।

মনের শান্তি দেয় যোগব্যায়াম

যোগব্যায়াম শুধু বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করো না এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের উপকার করে না বরং আরো যোগ বিশেষ ধরনের উপকার করে যেমন আমাদের মনকে ভালো রাখতে সাহায্য করে নিয়মিত যোগ চর্চা।

চিকিৎসা এবং বৈজ্ঞানিক দ্বারা একথা প্রমাণিত যে শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং বিশেষ করে মন ভালো রাখতে সাহায্য করে তাই নিয়মিত যোগ এর অভ্যাস করুন আপনার শরীরের পাশাপাশি আপনার মন ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

জক টেনশন এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে সুতরাং অবশ্যই নিয়মিত যোগ করার অভ্যাস করা কারণ এবং খুবই মারাত্মক একটি সমস্যা আরে ধরনের সমস্যাকে দূর করার জন্য বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

নিয়মিত যোগ অনিন্ডা কাটাতে সাহায্য করে ভালো ঘুম হতে সহায়তা করে এবং ক্ষুধা লাগে হজম শক্তি বাড়ে যুগের বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা রয়েছে। বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হলো একমাত্র জোকস এবং বিভিন্ন রোগের ওষুধ তাই সবদিক বিবেচনা করে সবার উচিত নিয়মিত যোগ অনুসরণ করা নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের অনেক সমস্যায় সহজে দূর হয়ে যাবে।

শরীরের ক্লান্তি দূর করতে যোগব্যায়াম

শরীরের ক্লান্তি দূর করতে যোগ খুবই উপকারী নিয়মিত যে ব্যক্তি যোগ করে থাকে তাহলে অতি সহজেই শরীরের ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে এবং শরীরের শক্তি বেড়ে যাবে সুতরাং নিয়মিত যোগ শরীরের শক্তি যোগাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে।

রোগমুক্ত রাখতে রোগ

যোগ শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এর পাশাপাশি শরীরের শক্তি যোগায় এবং বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করতে সাহায্য করে।

সুতরাং যে ব্যক্তি যারা নিয়মিত যোগ অনুসরণ করে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্য একজন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি এবং তাদের শরীরের সহজে কোন লোক প্রবেশ করতে পারে না।

তাই রোগ প্রতিরোধ করে যোগ নিয়মিত যোগ করা হলে দেহে কোন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বরং দেহতাকে সুস্থ সজীব এবং রোগ মুক্ত।

তাই নারী এবং পুরুষ ছোট-বড় সবার উচিত নিয়মিত যোগ অনুসরণ করা নিয়মিত যোগ অনুসরণ করা হলে এ ধরনের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে রোগ মুক্ত মুক্ত করা যাবে সুতরাং আমাদের সবার উচিত নিয়মিত যোগা করা।

আজকাল অনেক চিকিৎসকরা যুগের পরামর্শ দিয়ে থাকেন যেমন ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত সকালে হাঁটার পরামর্শ দিয়ে থাকেন আজকাল অনেক জায়গায় দেখা যায় যে বিভিন্ন ধরনের মানুষ হাঁটাহাঁটি করে এবং ব্যায়াম এর উদ্দেশ্যে লেগে পড়ে।

তাই আমাদের উচিত আমাদের শরীর সুস্থ থাকতে সময় থাকতে আমাদের শরীরকে ফিট রাখা কারণ আমাদের শরীরে যদি থাকে তাহলে সহজে কোন রোগ আমাদের দেহে প্রবেশ করবে না তাই সময় থাকতে আমাদের সবার উচিত নিয়মিত যোগ করা।

এছাড়াও শ্বাসকষ্ট এলার্জি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হজমের সমস্যা পাকস্থলীর সমস্যা ব্লাড প্রেসার উচ্চ রক্তচাপ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান করার জন্য যোগ অনুসরণ করুন ।

এ ধরনের সমস্যাকে সমাধান এর জন্য যোগ বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে তাই নিয়মিত যোগ অনুসরণ করা হলে এ ধরনের চাপ কমে যায় বরং এ ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায় এবং সহজেই দেহের ধরনের রোগ প্রবেশ করতে পারে না।

যোগব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

যো ওজন কমাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে অতিরিক্ত মেদ এবং ওজন নিয়ে যারা খুবই চিন্তিত এবং খুবই সমস্যার মাঝে আসেন তারা আজ থেকেই শুরু করেন যোগ আপনার অতিরিক্ত মেদ কমাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করবে ।

এবং আপনাদের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে শরীরকে ফিট আকর্ষণীয় সুতরাং আজ থেকেই লেগে পড়ুন যোগ করার জন্য আপনার সকল সমস্যার সমাধানের জন্য সাহায্য করবে।

ফিটনেস হওয়ার জন্য খুবই ভাল একটি উপায় হলো নিয়মিত যোগ চর্চা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে শরীরকে ফিট রাখা যায় এবং নিয়মিত যোগ করা হলে আমাদের বেশি শক্তিশালী এবং সুগঠিত হয় তাই অবশ্যই নিয়মিত চর্চা করা উচিত।

যোগব্যায়াম ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে

যোগ আমাদের রক্তে চিনির মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং আমাদের দেহের রক্তে চিনির বর্ধিত স্তরকে হ্রাস করতে ভীষণ ভাবে সহায়তা করে।

আমরা জানি যে যোগ রোগীদের জন্য খুব উপকারী। এছাড়াও চোখ আমাদের শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলও হ্রাস করতে সাহায্য করে এবং ভালো করে স্টোর এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে সহায়তা করে।

তাই সুতরাং সকলের উচিত নিয়মিত যোগ করা একমাত্র যোগের মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

যোগব্যায়াম করার নিয়মাবলী

আমরা জানি যে যোগ করার সবথেকে ভালো সময় হল যেটা বলতে বুঝায় তা হল সকালের সূর্যোদয়ের এক থেকে দুই ঘন্টা আগে যোগের সবথেকে ভালো সময় যেটা আমরা মনে করে থাকি।

তবে অথবা অনেকের যদি এ সময় ব্যায়াম করার মত সময় না হয় তারা চাইলে দিনের যেকোনো সময় যোগ করতে পারে যোগ এর জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় নেই।

তবে আপনি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে এ কথাটি যে আপনি দিনের যখন নিম্ন সময় ইচ্ছা আপনার মনে হয় আপনি এখন যোগ করবেন ঠিক আছে আপনি যোগ করুন।

কিন্তু যোগ করার সময় অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে যে আপনি যে সময় যোগ করুন না কেন জানি নিয়মিত প্রতিদিন একই সময়ে এই যোগটি করতে পারেন কারণ দেখা যায় যে ।

একই সময় যোগ করা হলে এর উপকারিতা অনেক কারণ একই সময় যোগ এর উপকারিতা অনেক ভালো এবং বেশি উপকার পাওয়া যায় এবং আপনার আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যাবে ওই সময় যোগ করার সুতরাং।

আপনি যখনই দিনের বেলায় ব্যায়াম করতে যাবেন তখনই আপনি একটা সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি দিনের বেলায়।

কখন ব্যায়াম করবেন এবং ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই নিয়মিত একই টাইমে ব্যায়াম করার চেষ্টা করবেন একই টাইমে ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যায় এবং একই টাইমে ব্যায়াম করা ও তাই টাইম ধরে নিয়মিত ব্যায়াম করে যাবেন।

এছাড়াও আরেকটি বিষয় হল যখন আপনি যোগ করতে যাবেন তখন আপনার মেয়ে যাতে একটি মাদুর বিছিয়ে যোগ করার অভ্যাস করবেন।

অথবা আপনি চাইলে যোগ করার জন্য এমন একটি স্থান বেছে নিতে পারেন যে স্থানটি হবে খুবই সুন্দর এবং প্রকৃতির আলো-বাতাস আপনার কাছে আসতে পারবে।

এবং দেখতে খুবই চমৎকার তেমনিভাবে আপনি বাগানে অথবা আপনার রুমে অথবা বাড়ির ছাদে যেকোনো একটি সুন্দর ভালো স্থানে আপনার পছন্দ অনুযায়ী আপনি যোগের জন্য জায়গা তৈরি করে নিতে পারেন ।

সেজন্য দেখা যায় যে আপনার ব্যায়ামের প্রতি আরো আগ্রহ বাড়বে এবং আপনার ব্যায়াম করেও আনন্দ পাবেন এবং ব্যায়াম করে উপলব্ধি করতে পারবেন ।

এবং পরিবেশের সাথে একজাস্ট হয় মানিয়ে নিতে পারবেন এবং অতি সহজে খুব স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়তে পারবেন সবুজ প্রকৃতির দিকে সেজন্য আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই ভালো একটি জায়গায় ব্যায়াম করার জন্য বেছে নিতে হবে।

আরেকটি বিষয় হলো যজ্ঞের সম্পর্কে আপনি ভালভাবে জেনে এরপর যোগ শুরু করুন কারণ ভুল বাল যোগ করে আপনি আপনার শরীরের ক্ষতি ডেকে আনবেন না ।

তাই অবশ্যই যোগ শুরু করার আগে অভিজ্ঞ একজন ট্রেনিংপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণ সম্পর্কে খুবই ভালো জানেন এবং মানুষকে যোগের পরামর্শ দেন এবং প্রশিক্ষণ দেন এমন এক ব্যক্তির কাছ থেকে আপনি যোগ এর সকল তথ্য জেনে এরপর ভালোভাবে বুঝে শুনে করুন ।

কারণ এরকম উপকারিতাও রয়েছে তেমনি ভাবে ওটা যদি সঠিকভাবে করা না হয় তাহলে আপনি কোন উপকার তো পাবেনই না বরং আপনার শরীর এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে ।

সুতরাং কখনো এভাবে যোগ করতে যাবেন না সঠিকভাবে যোগ করুন একটু দেরী হল ব্যায়ামের বিষয়ে সকল তথ্য জেনে এরপর আপনি যোগ করুন তাহলে আপনি অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবেন।

যোগব্যায়াম করার কিছু সঠিক পদ্ধতি বা নিয়ম

সবকিছুরই জন্য সঠিক কিছু নির্দেশনা দিক রয়েছে যেমন আপনি যদি কোনো পরীক্ষা দেন তাহলে আপনি পরীক্ষায় যদি যদি ভুল করে আসেন তাহলে অবশ্যই আপনার পরীক্ষার ফল নেগীটিপ আসবে।

আর আপনি যদি খুব সুন্দর ভাবে পরীক্ষার খাতায় লিখতে পারেন তাহলে আপনার রেজাল্টে সবথেকে ভালো হবে।

আমি পরীক্ষার তুলনা দিলাম কেন হ্যাঁ যোগ এক ধরনের পরীক্ষার মতই আপনি যদি সব নিয়ম ভালোভাবে জেনে এরপরে শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভাল ফল পাবেন ।

আর যদি পরীক্ষার খাতার মত না জেনেশুনে ভুলভাল লিখে থাকেন এবং ভুলভাল ব্যায়াম করে থাকেন তবে অবশ্যই আপনার ফলো তো ভুলভাল হবে তাই না বলুন।

আমরা যদি আমাদের রুটিনে অনুসারে যোগ করি তখন আমাদের বেশ কিছু নিয়মের দিক খুব ভালভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং নিয়ম এর বিষয়ে যত্নশীল হতে হবে।

এখন আমরা জেনে নিব নিয়ম গুলো কি এই নিয়ম নির্দেশনাগুলো আমরা যদি সঠিকভাবে পালন করতে পারে তাহলে অবশ্যই আমরা ভালো কিছু করতে পারবো এবং ভাল ফলাফল পাব চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়ম গুলো কি।

প্রথম পর্যায় আমাদের যে কাজটি করতে হবে এবং যা আমাদের সকলেরই করা খুবই দরকার তা হলো যোগ অনুশীলনের পরিবর্তে একজন পরিচালকের সাথে কথা বলে এরপর সব কিছু জেনে যোগ করা

আরেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আমরা যখন যখন যোগ করবেন তখন আমাদের সময় টা অবশ্যই নির্ধারণ করা উচিত এবং যে সময় যোগ করা ভালো ।

এই সময় হল যাতে করে আপনারা এই সময়ে যোগ করার চেষ্টা করবেন তা হলো সূর্য উদয় অথবা সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় যোগ করা উচিত এটা খুবই ভালো সময়।

আর একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা যা না বললেই নয় আমাদের সবার যোগ অনুসরণ করার জন্য জানতে হবে আসলে বিষয়টি কি আমরা যখন যোগ অনুসরণ করব ।

এবং যোগ করার সিদ্ধান্ত নেব তখন আমাদের পোশাক বিষয়ে খুবই সচেতন এবং থাকতে হবে এমন কি কোন ধরনের পোশাক পড়ে যোগ করা যাবে এ ধরনের পোশাক বিষয়ে আমাদের বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে ।

যখন আমরা চোখ অনুসরণ করব তখন আমাদের পোশাক থাকতে হবে ডিলেডালা এবং আরামদায়ক পোশাক যাতে করে আমাদের যোগ করার সময় কোন ধরনের কষ্ট এবং টাইট ফিট অনুভব হবে না যাতে করে রক্ত চলাচল সঠিকভাবে করতে পারে এরপর আমাদের যোগ করতে হবে।

এছাড়াও যোগ করার সময় আরেকটি কাজ করা যেতে পারে সেটি হল গোসল করে নেওয়া কারণ যোগ্ এর আগে আমরা যদি গোসল করি নেয়।

তাহলে আমাদের জবের জন্য খুবই ভালো এবং আরাম লাগবে এবং শরীর-মন সবই ভালো থাকবে সুতরাং আমরা যখন যোগ করব তখন আমাদের অবশ্যই উচিত যোগ এর আগে গোসল করে নেওয়া।

চিন্তা দূর করতে যোগব্যায়াম

যোগের সময় সকল ধরনের চিন্তাভাবনা এবং টেনশন দুশ্চিন্তা একটু হলেও দূরে রাখার চেষ্টা করুন যোগ এর সময় খুব মন কে সজল এবং সরল একাগ্রতা করে ব্যায়াম অর্থাৎ অনুসরণ করুন।

যোগ করার সময় কোন ধরনের দুশ্চিন্তা টেনশন করবেন না এতে আপনার জোক ভালোভাবে করা হবে না এবং যোগ করা ভুলে যাবে এবং যুগের কোন ফল খাবেন না ।

সুতরাং অবশ্যই যোগ এর সময় কোন ভাবে চিন্তা করা যাবেনা সকল চিন্তা থেকে দূরে থাকুন যোগ এর সময় এবং আপনাকে সকল চিন্তা ভাবনা কাটাতে সাহায্য করবে এবং আপনার চিন্তা কে দূর করবে মন দিয়ে করবে এবং সতেজ টেনশন মুক্ত।

অবশ্যই যোগ এর সময় ভরা পেটে কোনোভাবেই যোগ করবেন না যে সময় অবশ্যই আপনি খালি পেটের যোগ করার চেষ্টা করুন খালি পেটে যোগ করার উপকারিতা অনেক রয়েছে।

সুতরাং অবশ্যই যোগ করার অভ্যাস করুন কিন্তু একদম খালি পেটে যোগ করবেন না অন্তত একটি এক পিছ বিস্কিট কেক অথবা একটি কলা শুরু করুন।

তাহলে আপনার যোগের প্রতি আগ্রহ আরো বেড়ে যাবে এবং কলা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যা তারাতাড়ি সহজে হজম হয়ে যায় এবং ভিটামিন সি ই এবং আরও বিভিন্ন উপাদান রয়েছে যা আপনার দেহের জন্য খুবই উপকারী।

ধৈর্য যেটা না করলেই নয় যোগ করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে ধৈর্য ছাড়া আপনি কিন্তু যে কোনো ভাবেই স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাবে যোগ করতে পারবেন না।

আপনি যদি আপনার ধৈর্য শক্তি হারিয়ে ফেলে তাহলে আপনার যোগ প্রতি ইচ্ছা হারিয়ে ফেলবেন সুতরাং আপনি যখন করবেন তখন আপনি ধৈর্য ধারণ এবং ধৈর্য সহকারে যোগ করবেন যদি হারিয়ে ফেলেন তাহলে কিন্তু আপনি যেকোন ধরনের উপকার পাবেন না ।

তাই যত কষ্টই হোক না কেন আপনি ধৈর্য সহকারে যোগ করে যাবেন ধৈর্যের ফল মিষ্টি হয় আর ধৈর্য্য না ধরতে পারলে আপনি জীবনে কিছুই করতে পারবেন না ।

অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে আপনার বাইকের চাবি বলতে পারেন কারণ আপনার ভালো কিছু এনে দেবে সুতরাং সমস্ত ফলাফল ভালোভাবে অর্জন করতে পারবেন।

এরপরে আর একটি কাজ করতে হবে যখন যোগ করা শেষ হয়ে যাবে তখন এক ঘণ্টা পরে আবার গোসল করে নিবেন যুগের পরে গোসল করা খুবই ভালো তাই যতদিন যতক্ষণ যোগ করবেন তাই নিয়ম মেনে যুগে এক ঘন্টা পর অবশ্যই গোসল করে নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নিবেন কারণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ঈমানের অঙ্গ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং শরীর এবং মন সুস্থ এবং ভালো থাকবে।

যোগের সময় অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন একটি জায়গা নির্ধারণ করতে হবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গা থাকলে আপনার যোগ করতে খুবই ভাল লাগবে তাই অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় যুগের অভ্যেস করুন

এবার জেনে নেব কোন যুগে কোন ধরনের উপকার পাওয়া যায় চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ধরনের উপকার রয়েছে এবং কোন রোগের কোন ওষুধ পাওয়া যায় না জেনে নেব যে কোন রোগের উপকারিতা রয়েছে কোন যুগের ভেতরে।

জোক উপকারিতা অনেক এবং আসনগুলো এর উপকারিতা রয়েছে নিয়মিত যদি করা যায় তাহলে আসুন দাড়াও বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।

যে ব্যক্তি নিয়মিত যোগের আসনগুলো অনুসরণ করবে তাহলে সে অবশ্যই বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে সুতারাং নিয়মিত যোগ আসন গুলো অনুসরন করুন যে আসনের ভেতরে বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।

যোগব্যায়াম আসনের উপকারিতা

পদ্মাসনের উপকারিতা

জীবন যোগ করা হলে বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায় তেমনি ভাবে যোগের বিভিন্ন আসনেও রয়েছে উপকার তাই আপনি যদি নিয়মিত পদ্মাসন করেন ।

তাহলে আপনি বিভিন্ন রোগের উপকার পেতে পারেন আমি যেমন আগে বলেছি কোন রোগের জন্য কোন যোগ উপকারী আসুন আজ আমরা জেনে নেই পদ্মাসন কোন রোগের নির্মূল করতে সাহায্য করে।

আজ আমরা জানবো পদ্মাসনের উপকারিতা এবং পদ্মাসন করা হলে কোন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় চলুন জেনে নেই পদ্মাসনের অসাধারণ উপকারগুলো ।

যা আমরা অনেকেই জানিনা আজ আমরা পদ্মাসন এর সকল বিস্তারিত তথ্য জানবো যে পদ্মাসন করা হলে তার উপকারিতা কি এবং পদ্মাসন কোন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে আমাদের ‌

পদ্মাসন আমাদের হৃদপিণ্ড এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে এছাড়াও হাঁপানি রোগের মতো সমস্যা কেউ সহজেই দূর করে।

এবং লোকের মেরুদণ্ডকে সোজা করে এবং মেরুদন্ডেরসরল রাখতে সাহায্য করে অথবা আমাদের চিন্তা শক্তি ইচ্ছাশক্তিআরেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আমাদের স্মৃতি শক্তিএগুলো ভালো করতে সাহায্য করে এছাড়াও।

এছাড়াও মনের একাগ্রতা কে দূর করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে এবং আমাদের পায়ের পেশিস্নায়ুজাল সতেজ এবং সক্রিয় রাখে রাখতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে।

এবং আমাদের শরীরের বাত অথবা অঔসায়টিকা বাত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কম থাকে সুতরাং সাইটিকা বাত এ ধরনের সমস্যা আমাদের শরীরে আক্রান্ত করতে পারে না।

ভুজঙ্গ আসন এর উপকারিতা

ভুজঙ্গ আসন এর উপকারিতা এর উপকারিতা অনেক চলুন আমরা জেনে নেই যে ভুজঙ্গ আসন করা হলে যে উপকার পেতে পারি কোন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে এবং রোগের ওষুধ রয়েছে এই ভুজঙ্গ আসন এর ভিতর ‌

ভুজঙ্গাসন আমাদের শরীরের র্দান্ত স্ট্রেস রিলিজ হিসাবে কাজ করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। এছাড়া এই আসন পিঠের হাড় মজবুত করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে ।

যাদের পিঠে রহাট নরম তারা নিয়মিত যদি আন্টি করতে পারে তাহলে তাদের পিঠের হার আগের থেকে অনেক বেশী মজবুত হবে।

এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য কে নির্ণয় করতে ভুজঙ্গ আসন খুবই কার্যকরী যোগ এছাড়াও আরো বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যেও হজমের সমস্যা দূর করে পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে দেয় এবং গ্যাসের সমস্যা দূর করতে ভীষণ বাজে সাহায্য করে এই ভুজঙ্গ আসন যোগ।

যারা নিয়মিত ভুজঙ্গ আসন পরে তাদের কিডনি এবং লিভার সুস্থ থাকে তাই আমাদের নিয়মিত উচিত ভুজঙ্গ আসন তীর্যক করা তাহলে আমাদের কিডনি এবং দিবার এই দুটি অংক বিশেষভাবে সুস্থ থাকবে আমাদের ।

যোগাসনের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভুজঙ্গাসন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলছে ভীষণভাবে সাহায্য করে।

তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তারা যদি নিয়মিত ভুজঙ্গ আসন আসনের যোগ করে তাহলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাবে সুতরাং নিয়মিত ভুজঙ্গ আসন আসনটি করা উচিত সবার।

অনেক লোক অফিসে বসে কিনারে সারাক্ষণ কাজ করে তাদের অনেক সময় পেটের এবং পেটের চারপাশের চর্বি বেড়ে যায় এ চর্বি কমাতে তারা যদি নিয়মিত ভুজঙ্গ আসন।

করে তাহলে তাদের পেট এবং পিঠের চারদিকের চর্বি সহজে কমে যাবে সুতরাং পেটের চর্বি কমাতে ভুজঙ্গাসন খুবই কার্যকরী ।

একটি ওষুধ তাই তাদের এ ধরনের সমস্যা আছে তারা ভুজঙ্গাসন করুন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার পেটের চর্বি সহজে জড়াতে পারবেন।

ভুজঙ্গ আসন আসুন আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। এছাড়াও ভুজঙ্গাসন আমাদের বিপাক তন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এর পাশাপাশি আমাদের ওজনের ভারসাম্য বজায় রাখতে ভীষণ ভাবে সহায়তা।

হূদরোগ খুবই একটি ভয়ঙ্কর এবং রোগ যা কমন প্রায় লোকের মাঝেই দেখা যায় সুতরাং যাদের হূদরোগ এর মতো সমস্যা আছে তারা যদি নিয়মিত ভুজঙ্গ আসন আসনটি যোগ করে তাহলে তাদের এ ধরনের সমস্যা সহজে দূর হয়ে যাবে।

Read more… ব্যায়ামের বিশেষ ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

এবং যাদের এ ধরনের সমস্যা নেই তারাও যদি নিয়মিত এই দর্শন করে তাহলে এ ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে সুতরাং নিয়মিত ভুজঙ্গাসন করা হলে ।

হৃদরোগের আশঙ্কা এবং কমে যাবে বরং হৃদ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না সুতরাং আমাদের উচিত নিয়মিত গোসল করা। হৃদরোগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ভালো একটি আসন হলো ভুজঙ্গ আসন

হাঁপানি রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ভুজঙ্গাসন খুবই উপকারে আসুক তাদের হাঁপানির সমস্যা আছে তারা করতে পারেন ভুজঙ্গ আসন আসনটি।

শবাসন এর উপকারিতা

যে কোন আসনের করার পরে শবাসন করেনা উচিত শবাসন এর উপকারিতা অপরিসীম শবাসন করার ফলে যে রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

আমাদের শরীরের মাংসপেশীগুলিকে শিথিল করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। এবং শরীরের ক্লান্তি সহজেই দূর করে এছাড়াও আমাদের দেহ এবং মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে।

এবং ছাত্র ছাত্রীদের জন্য শবাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ভালো আসেন কারণ শবাসন ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে ভীষণভাবে সাহায্য করে।

তাই ছাত্রজীবনে যারা আছে সকল ভাই বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি নিয়মিত শবাসন করুন আপনার পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে ভীষণ ভাবে আপনাকে সাহায্য করবে সুতরাং অবশ্যই উচিত আপনাদের অভ্যাস করা।

ধনুরাসন এর উপকারিতা

ধনুরাসন যোগ করা হলে যে রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় যে মন কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এছাড়াও আমাদের কিডনি, থাইরয়েড এবং এড্রিনাল গ্রন্থি সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে।

বজ্রাসন এর উপকারিতা

বজ্রাসন হল যুগের বিশেষ একটি ধরন সুতরাং এর উপকারিতা রয়েছে অনেক বজ্রাসন আমাদের খাবারের হজমের সমস্যা দূর করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে।

যাদের হজম শক্তি দুর্বল তারা করতে পারেন নিয়মিত বজ্রাসন তাহলে আপনাদের হজমশক্তি অনেকটাই বেড়ে যাবে সুতরাং নিয়মিত বজ্রাসন যোগ করুন।

এছাড়াও বজ্রাসন আমাদের হাঁটু এবং পায়ের গোড়ালির বাত ব্যথা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে সুতরাং এ ধরনের বাগদাতে থাকলে অবশ্যই বজ্রাসন করে নিবেন বজ্রাসন এ ধরনের বাতের ব্যথা দূর করতে খুবই কার্যকরী এবং গুরুত্বপূর্ণ আসুন আমরা কম বেশি সবাই জানি।

কেবলমাত্র জানলে তো হবে না বরং আমাদের মানতে হবে সুতরাং অবশ্যই আমাদের ভদ্রাসন করা হলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বাত ব্যথা দূর করার পাশাপাশি অনিন্দ্য কাটাতেও বিশেষ সাহায্য করে এই বজ্রাসন যোগটি।

এছাড়াও বজ্রাসন কোমর এবং কাঁধের ব্যথা দূর করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে তাই যে ব্যক্তি রকমের এবং কাদের ব্যাথায় ভুগছেন তারা আর দেরি না করে আজই বজ্রাসন যোগাসন টি করুন তাহলে দেখবেন জাদুর মত আপনার ব্যথা সহজেই দূর হয়ে যাবে।

আর্থাইটিসএই সমস্যা যা কমবেশি প্রায় লোকের মাঝেই দেখা যায় সুতরাং এ ধরনের সমস্যাকে দূর করার জন্য নিয়মিত করতে পারেন বজ্রাসন বজ্রাসন এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য খুবই ভাল একটি উপায় এবং এ ধরনের সমস্যার সহজেই দূর করে।

এছাড়াও বজ্রাসন আমাদের শরীরের অক্সিজেনসর্বহারা এর মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে সুতরাং আমাদের শরীর থাকে আরো সুস্থ এবং সজীব রোগমুক্ত তাই নিয়মিত সবার উচিত বজ্রাসন যোগ করা হলে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

আমরা এতক্ষন কোন রোগের কোন যোগ এবং করার নিয়ম কখন যোগ করতে হবে কিভাবে করতে হবে যোগ এর সকল বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করলাম ।

আশা করি এই নিয়মগুলো অনুসরণ করা হলে অবশ্যই আপনারা উপকার পাবেন সুতরাং নিয়মিত এই নিয়মগুলো অনুসরণ করুন তাহলে আপনাদের রোগের চিকিৎসা এই যোগের মাধ্যমে পাবেন এবং রোগ নির্মূল হয়ে যাবে।

Leave a Comment